একটি চলমান আর্কাইভ
অভিধান
বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক বাংলা ভাষার অভিধান ও ভাষাতত্ত্ব
এগারোজন ভাষা শহিদকে উৎসর্গীকৃত — যাঁরা ১৯ মে ১৯৬১-তে প্রাণ দিয়েছিলেন যাতে এই ভাষা বেঁচে থাকে
বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক বাংলা লিখে রাখা প্রথম অভিধান। ৫,১২৭টি এন্ট্রি ৩৩টি অক্ষর জুড়ে।
অক্ষর অনুযায়ী দেখুন

এই কাজ সম্পর্কে
দুটো বড় বাংলা অভিধান আগে বেরিয়েছিল — ঢাকায় (১৯৬৫) আর কলকাতায় (১৯৯১)। দুটোই বরাক উপত্যকার বাংলাকে বাদ দিয়েছিল — কাছাড়, করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দি, পার্বত্য জেলা আর প্রবাসে ছড়িয়ে থাকা প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ যে বাংলায় কথা বলে সেটাকে। জগন্নাথ চক্রবর্তী একা, নিজের পয়সায়, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য ছাড়া, হাফলংয়ে বসে পঁচিশ বছর ধরে এই অভিধান লিখেছিলেন — যাতে এই ভাষাটার একটা লিখিত রূপ থাকে। অভিধানটি ২০০৫ সালে প্রকাশিত হয়, ভাষাবিদ ড. পবিত্র সরকারের ভূমিকাসহ।
এখানে যা দেখছ তা মূল অভিধানের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ — শুধু শব্দ, উচ্চারণ, অর্থ আর উদাহরণ। মূল বইয়ে আরও অনেক কিছু আছে — ভাষাতত্ত্ব, ব্যুৎপত্তি, উপভাষা অঞ্চলের বিশ্লেষণ, তুলনামূলক আলোচনা — যা এখানে নেই। এই তালিকা মূলত ভাষা সেনানীদের জন্য — নতুন শব্দ জমা দেওয়ার আগে দেখে নাও এই শব্দটা আগে থেকে আছে কিনা। সম্পূর্ণ তথ্যের জন্য মূল ছাপা বইটি দেখো।